☆ সুকুমার ePUB Ú

☆ সুকুমার ePUB Ú

সুকুমার [Epub] ➝ সুকুমার By Leela Majumdar – Centrumpowypadkowe.co.uk সুকুমার রায় উইকিপিডিয়া সুকুমার রায় ১৮৮৭ ১০ ৩০ ৩০ অক্টোবর ১৮৮৭ কলকাতা পশ সুকুমার রায় উইকিপিডিয়া সুকুমার রায় ১৮৮৭ ১০ ৩০ ৩০ অক্টোবর ১৮৮৭ কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ ব্রিটিশ ভারত অধুনা ভারত মৃত্যু ১০ সেপ্টেম্বর ১৯২৩ বয়স ৩৫ ১০০ নং গড়পার রোড কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ ভারত সুকুমার রায় সমগ্র Apps on Google Play সুকুমার রায় সমগ্র Arefin Khaled books Reference Everyone Contains Ads Add to Wishlist পরশু রাতে পষ্ট চোখে দেখনু বিনা চশমাতে পান্তভূতের জ্যান্ত ছানা করছে খেলা জোছনাতে ছড়া সুকুমার YouTube This video is unavailable Watch ueue ueue Watch ueue ueue বাংলার কবিতা সুকুমার রায় সুকুমার রায় ৩০ ১০ ১৮৮৭ ০৯ ০৯ ১৯২৩ একজন বাঙালি শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে ননসেন্স্ রাইমের প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক ছড়াকার শিশুসাহিত্যিক রম্যরচনাকার ও নাট্যকার। তিনি শিশু সাহিত্যিক সুকুমার রায়ের জন্মদিন আজ ভোরের ডাক ডেস্ক শিশু সাহিত্যিক সুকুমার। হাসির ছলে শিশুদের শিখাতে লিখেছেন অনেক ছড়া ও কবিতা। তাকে বলা হয় ননসেন্স কবিতার প্রবর্তক। তার আদিনিবাস জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায় সুকুমার রায় ঢাকা ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায় তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়— যা কিছু ভালো যা কিছু প্রথম ক্যান্সারে প্রয়াত বিধানসভার উপাধ্যক্ষ প্রয়াত হয়েছেন রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার হাঁসদা প্রয়াত বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার কলকাতা প্রয়াত রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার হাঁসদা। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। মারণ রোগ ক্যান্সারে ভুগছিলেন রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার প্রয়াত হলেন বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার ঝাড়গ্রামের বিধায়ক ১৯ দিনের লড়াই থামল প্রয়াত রাজ্য ১৯ দিনের লড়াই থামল প্রয়াত রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার হাঁসদা | Deputy Speaker Sukumar Hansda Passed away.


1 thoughts on “সুকুমার

  1. Dibyendu Singha Roy Dibyendu Singha Roy says:

    লেখকদের যেমন রাইটার্স ব্লক হয় পাঠকদের তেমন হয় কি? কখনো এমন সময় আসে যখন পড়তে ইচ্ছা করে তবে পড়ে কিছুতেই সেই আমেজটা পাওয়া যায়না। বোধয় বেশ কিছু দিন ধরে গম্ভীর সিরিয়াস লেখা পড়ে পড়ে মগজে একটা সর পড়ে যায়। তাতে মৃদু তরঙ্গ ওঠে ঠিকই কিন্তু কিছুতেই ঢেউ খেলে যায়না । বহুদিন ধরে মৃদু অনুরণন রেখে যাওয়ার পাশাপাশি এমন লেখাও পড়া দরকার যা হঠাৎ বেশ কাঁপিয়ে দিতে পারে আবার তার রেশও রেখে যেতে পারে বেশ কিছুদিন। সেই কারণেই সুকুমার সমগ্র কিনলাম দিন কতক আগে। এ এমন এক সম্পদ যা পুরনো হয়না কিছুতেই। বারবার পড়েও তাই আবার পড়ার ইচ্ছা হয়। যেটুকু পড়েছি তা পুনরায় শুরুর আগে এবারে ভাবলাম সুকুমারের জীবন নিয়ে কিছু পড়ার পরে যদি শুরু করাযায় তবে হইত লেখাগুলোই নতুনকরে কিছু উপলব্ধি হবে।এই ভাবনা থেকেই লীলা মজুমদারের লেখা পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির থেকে প্রকাশিত সুকুমার রায়ের জীবনী শুরু করেছিলাম।জীবনী এর আগে অনেক পড়েছি। কিছু ভূমিকার পর জন্ম দিয়ে যার শুরু । মাঝে নানা ঘটনা জীবনের সম্ভাবনা সাফল্য কাজ নিয়ে অল্পবিস্তর আলোচনার পর মৃত্যুতে সে বইয়ের শেষ। জীবনী গ্রন্থ যদি বেশ মোটা হয় তবে তাতে আলোচনার পরিমাণ বেশি থাকে ঘটনার ঘনঘটা থাকে পাতার পর পাতা। লেখকের লেখার গুনে তা পড়তেও যে খারাপ লাগে এমন নয় কিন্তু অনেক সময়েই তথ্য ভারে ভারাক্রান্ত মনে হয়। চার্লি চ্যাপলিনের প্রামাণ্য জীবনীর বাংলা অনুবাদ পড়ে তাই এতটাই গুমোট লেগেছিল যে লেখকের নামটাও মনে পড়েনা। ঠিক এই জায়গাতেই এই জীবনী ব্যতিক্রম। বহু ভাল ভাল চিন্তা ভাবনায় ছাপ রেখে যাওয়া জীবনী পড়লেও এই ঘরানায় এমন রসোত্তীর্ণ লেখা জীবনে পড়িনি। সুকুমারের বংশের ইতিহাস দিয়ে এই লেখার শুরু। উপেন্দ্রকিশোর নিয়ে বেশ কিছু কথা বলে যখন বইয়ের পাতায় সুকুমারের জন্ম থেকে মধ্য যৌবনে অকস্মাৎ ছেদের সময়ে পৌছালাম ও অসীম সম্ভাবনাময় এক দুবছরের শিশুর কথা বলে যখন এই বই শেষ হল তখন পুরুষানুক্রমে একটি পরিবারের মধ্যদিয়ে শক্তি সংস্কৃতি উৎকর্ষ সম্ভাবনা প্রতিভার প্রকাশ বিকাশ ও প্রবাহ পরিলক্ষিত হল।তার সাথে উঠে এলো তৎকালীন কলকাতার একটি পারিবারিক ছবি । যে সচ্ছল পরিবার সেকালের বেশ প্রগতিশীল মানুষদের প্রতিনিধি যারা অন্নের জন্য হাপিত্যেশ করেনি সরাসরি জাতীয়তাবাদী সহিংস বা অহিংস আন্দোলনেও জড়ায়নি বাবুয়ানায় গা ভাসিয়ে দেয়নি অথচ অলক্ষ্যে বাংলা ও বাঙ্গালির কৃষ্টি'কে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে।বইটা পড়ে কোনো কোনো পাঠক অভিযোগ করতে পারেন এ ভক্তের দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখা বই। কিন্তু সর্বকালের প্রায় সকল জীবনীকারই নৈর্ব্যক্তিক লেখার বদলে জীবনীতে কিছুটা হলেও ভালো ভালো কথাই লিখেছেন । তুল্যমূল্য বিচার করার কাজটি বোধয় সমালোচক প্রাবন্ধিকদের। সে কথা যে আমারও একবারেই মনে হয়নি তাও নয় আবার রসরচনার বাইরে সুকুমারের অন্যান্য লেখাগুলোর সমালোচনা যে খুব কোমল হয়নি সেও দেখেছি। মাত্র ৩৫ বছর ১০ মাস ১০দিন বয়সে সুকুমার রায় ইহজগৎ পরিত্যাগ করেন । বইটা পড়ে আফসোস হয়েছে আহা যদি আরও কিছুদিন বাংলা সাহিত্যে তাঁকে পাওয়া যেত ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *